ঢাকা, শুক্রবার, আগস্ট ১৪ ২০২০,

এখন সময়: ১১:৩৮ মিঃ

পিতার লাশ জাতির কাঁধে

মনজুরুল ইসলাম মেঘ | ০৫:০১ মিঃ, আগস্ট ১৯, ২০১৯



পৃথিবীর ইতিহাসে যখনই কোন সভ্যতা বা রাষ্ট্র গড়ে উঠেছে তখন ই কেউ না কেউ প্রধান নেতৃত্বে থেকেছেন। দলনেতা ছাড়া কখনোই পৃথিবীতে বৃহৎ পরিসরে বা জাতিগোষ্টির কোন কাজ বা সেবা অনুষ্ঠিত সম্ভব হয়নি। বিচ্ছিন্ন ভাবে কোন জাতি তাদের জাতিসত্তা পায়নি। আবহমান কাল থেকে চলে আসা বাংলার শাষন ভার ন্যাস্ত হয়ে যায় পরাধীনতায়। বহু সংগ্রামের পরে বাংলা শোষন মুক্ত হলেও দ্বিখন্ডিত হয়ে যায় । পশ্চিম বঙ্গ ভারতের অর্ন্তগত একটি প্রদেশ হয়ে কিছুটা নিজস্বীতা পেলেও পূর্ব বঙ্গ পাকিস্তানের অংশ হয়ে নিজেদের স্বাধীনতা তো দূরের কথা মৌলিক অধিকারটুকুও হারিয়ে ফেলে। এমনকি পাকিস্তানী শাষক গোষ্টি বাংলা ভাষা কেড়ে নিতেও চেয়েছিলো, যার জন্য রক্ত দিতে হয়েছে, দিতে হয়েছে তরতাজা কতগুলি প্রাণ। পূর্ব বঙ্গ বাংলা ভাষা ফিরে পেলেও হারিয়ে ফেলে সকল প্রকার স্বাধীনতা, এমন কি নিভিতে শোষিত হতে থাকে বাংলার জনগন, দিনভর পরিশ্রম করেও পূর্ব পাকিস্থানের মানুষের পেটে ভাত জোটে না আর পশ্চিম পাকিস্তানের ব্যাংক ভর্তি হয়, গড়ে উঠে শিল্প-কারখানা। ঠিক তখন ই বাংলার আকাশে ধ্রব সত্য হয়ে জ্বলে উঠে আওয়ামী মুসলিম লীগ নেতা শেখ মজিবুর রহমান। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ নেতা হিসাবে তিনি পাকিস্তানের তথা পূর্ব বঙ্গের সব চেয়ে জনপ্রিয় নেতাতে পরিগনিত হন। জনপ্রিয় এই নেতা সব সময় চেয়েছেন বাংলার মেহনতি মানুষের মুক্তি, বাংলাকে শোষন মুক্ত করতে। তাইতো তিনি প্রস্তাব রাখলেন বাঙ্গালী মুক্তির সনদ ছয় দফা দাবির মাধ্যমে।

ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবির পর থেকেই পাকিস্থানী শাষকরা চেয়েছিলেন শেখ মুজিব কে চিরতরে নিশ্চিন্ন করতে, কিন্তু যতবার ই তারা মিথ্যা হয়রানি করতে চেয়েছে ততবার ই বাঙ্গালী আপামর জনতা রুখে দাঁড়িয়েছ, ছিনিয়ে এনেছে জেলের অন্ধকার প্রকোষ্ট থেকে। তাইতো আগড়তলার মিথ্যা মামলা দিয়েও পাকিস্থানীরা শেখ মুজিবর রহমানের কিছুই করতে পারলেন না বরং মুজিব হয়ে উঠলেন বাঙ্গালীর বন্ধু, স্বজন ও প্রিজন। তাইতো বাঙ্গালী জাতি তাকে স্বাগত জানালো বঙ্গবন্ধু উপাধিতে। দেশের প্রতি মমত্ব, একনিষ্ট ভালবাস, ত্যাগ তিতিক্ষায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একজন সাধারণ নেতা থেকে হয়ে উঠলেন বাঙ্গালীর শাষত নেতা যিনি আর নন শুধু আওয়ামী লীগ নেতা। নদী বিধৌত এই বঙ্গদেশে যেমন বর্ষার জোয়ারে পলল জমে ভূমি উর্বর হয়েছে ঠিক গনজোয়ারে মুজিব হয়ে উঠলেন গণমানুষের মুক্তিকামী এক সৌরপুর। সত্তরের নির্বাচনে তিনি নির্বাচিত হলেন পাকিস্থানের রাষ্ট্রিয় প্রধান হিসাবে। গণমানুষের রায় অস্বীকার ও বঙ্গবন্ধুকে ক্ষমতা হস্তান্তর না করায় পূর্ব বাংলার মানুষ ঘর থেকে রাস্তায় নেমে এলেন। বঙ্গবন্ধু তাঁর উদার দৃষ্টিতে একটি জলন্ত অগ্নি চোখে দেখলেন বাঙ্গালীর মুক্তি। তাই তিনি দেরি না করে জনসমুদ্রের ভাষনে ঘোষনা দিয়ে দিলেন “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম”।

কিছু বিদ্রোহী, পাকিস্থান সর্মথক যারা পরবর্তীতে রাজাকার, আল বদর, আল শামস প্রভৃতি নামে পরিচিত তারা ছাড়া সকল স্তরের বাঙ্গালীদের অংশগ্রহনে পূর্ব বাংলা পাকিস্থান মুক্ত হলো, জন্ম হলো একটি স্বাধীন দেশ, বাংলাদেশ। এত দিনের বাংলার আপমর জনতার বন্ধু হয়ে উঠলেন বাঙ্গালী জাতির পিতা। দেশের মানুষ বাংলার মুক্ত আকাশে লাল সবজের পতাকায় পিতাকে পেয়ে স্বাধীনতার সুখ পেলেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা যুদ্ধাপরাধ করেছিলো তাদের সাধারণ ক্ষমা করে বিশ্বে দৃষ্টন্ত স্থাপন করলেন, মানবতার এক বিশাল মহানুভবতা দেখালেন তিনি, কিন্তু যাদের তিনি প্রাণ ভিক্ষা দিলেন তারাই চক্রান্ত করে তাঁর প্রাণ কেড়ে নিলো।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাংলার জমিনে এক অন্ধকার রজনী, এই রজনীতে সেনাবাহিনীর কিছু বিদ্রোহী ও উচ্চাভিলাষী অফিসারা শুধু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকেই হত্যা করনেনি। ঘুঘন্ত বঙ্গবন্ধু পরিবারকে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করেছে, ঘাতকের বুলেট থেকে রক্ষা পায়নি বঙ্গমাত শেখ ফজিলাতুনেছা মুজিব, পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু পুত্র শেখ রাসেল, শেখ কামালের স্ত্রী সুলতানা কামাল, শেখ জামালের স্ত্রী রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর ভাই শেখ নাসের, এসবি অফিসার সিদ্দিকুর রহমান, কর্ণেল জামিল, সেনা সদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হক। একই সময়ে ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মণির বাসায় হামলা চালিয়ে শেখ ফজলুল হক মণি, তাঁর অন্তসত্তা স্ত্রী আরজু মণি। বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বাসায় হামলা করে আবদুর রব সেরনিয়াবাত ও তার কন্যা বেবী, পুত্র আরিফ, নাতি সুকান্ত বাবু, সেরনিয়াবাতের বড় ভাইয়ের ছেলে সজীব এবং এক আত্মীয় বেন্টু খানকে হত্যা করে।
১৯৭৫ এর ১৬ আগস্ট, শোকে যখন সমগ্র জাতি বিহ্বল তখন সেনাবাহিনী ও পুলিশ প্রশাসনের মাধ্যমে সারাদেশের মানুষকে জিম্মি করা হয়, মিডিয়ার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু হত্যার কথা প্রচার করে মানুষের মধ্যে ভিতি সঞ্চার করা হয়, রাজধানীতে থমথমে ভাব বিরাজ করে। তৎকালীন ডিজিএফআই মহাপরিচালক আবদুর রউফ এর নির্দেশে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় শুধু বঙ্গবন্ধুর মরদেহ নিয়ে গিয়েছিলেন তৎকালীন ডিজিএফআই কর্মকর্তা কাজী হায়দার আলী। হেলিকপ্টার চালিয়ে নিয়ে গিয়ে ছিলেন ফ্লাইট লে. শমসের।

হেলিকপ্টার থেকে মরদেহ নামানোর পরে বঙ্গবন্ধুর জ্ঞাতি চাচা ৭০ বছরের বৃদ্ধ মোশাররফ হোসেনকে মরদেহ হস্তান্তর করেন হায়দার আলী। হাজার হাজার বঙ্গবন্ধু ভক্ত অনুরাগী টুঙ্গিপাড়ায় ছুটে আসতে নিলেও নিরাপত্তার দোহায় দিয়ে প্রশাসন জনগনকে বাধা দেয়, বঙ্গবন্ধু পরিবারের লোকজনও নিরাপত্তার খাতিরে আতœগোপন করেন। হেলিকপ্টার থেকে মরদেহ নামিয়ে ছিলেন টুঙ্গিপাড়ার তৎকালীন সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার কাসেম, পোস্ট মাস্টার আনোয়র হোসেন, স্থানীয় মেম্বার আব্দুল হাই, গ্রামবাসীদের মধ্যে আকবর কাজী, মোঃ ইলিয়াস হোসেন, জহর মুন্সি, সোনা মিয়া কবিরাজ, শেখ নুরুল হক, গেদু মিয়া, সোহরাব মাস্টারসহ কয়েকজন। লাশ নামানোর পরে কফিনসহ দ্রæত দাফন করার তাগিত দিলে মৌলভী আব্দুল হালিম লাশ না দেখে দাফন করতে আপত্তি জানান। একজন মুসলমানকে ইসলামী বিধি বিধান মেনে দাফনের দাবি জানান। মৌলভীর দাবির প্রেক্ষিতে সেনা অফিসাররা (সব নিয়ম মেনে) ১৫ মিনিটের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর লাশ দাফনের অনুমতি দেন। কবর আগে থেকেই প্রস্তত করা হয়ে ছিলো। লাশের ফফিন খুলতে না পারায় কাঠমিস্ত্রী হালিম শেখ কে নিয়ে আসা হয়, সহযোগি হিসাবে ছিলেন হালিম শেখের ১০ বছর বয়সী পুত্র আয়ুব আলী শেখ। কফিন থেকে জাতির পিতার লাশ বের করে গোসলের জন্য স্থানীয় আশরাফ মোল্লার দোকান থেকে কিনে আনা হয় ৫৭০ সাবান। জাতির পিতার শেষ গোসল করিয়ে ছিলেন মান্নাফ শেখ, সোনা মিয়া ও ইমান উদ্দিন গাজী।

বঙ্গবন্ধুর মায়ের নামে প্রতিষ্ঠিত সাহেরা খাতুন হাসপাতালে রেডক্রিসেন্ট এর রিলিফের কাপড় পাঠিয়ে ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজেই। আবদুল হাই শেখ ওই হাসপাতালে কর্মরত নার্স দিপালীর কাছে থেকে ত্রাণের শাড়ি নিয়ে আসেন। সেই শাড়ীর জমিন ছিলো সাদা আর পাড় ছিলো লাল-কালো, পাড় ছিঁড়ে ফেলে সাদা কাপড়ে স্বাধীন বাংলার স্থপতি বন্ধুবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে শেষ কাপড় পরিধান করানো হয়। যদিও জীবদ্দশায় বঙ্গবন্ধু পোষাকে ছিলেন অত্যান্ত সাদামাটা। সাদা পাঞ্জাবি-পায়জামা আর কোর্ট, অবসরে লুঙ্গি-গ্যাঞ্জি পড়তেন তিনি।

জানায়ায় লক্ষ লক্ষ লোক হয়তো সমবেত হবার ইচ্ছা পোষন করেছিলেন কিন্তু মানুষকে না জানিয়ে, দ্রæত দাফন করার ব্যবস্থা করা হয়, আশেপাশের গ্রাম থেকে যারা জানাযায় অংশ নিতে আসার চেষ্টা করেন তাদেরও বাধা দেওয়া হয়, শুধু দাফন কাজে যারা সহযোগিতা করতে পেরে ছিলেন সেই ২৫-৩০ জন জানাজায় অংশ নিতে পারেন। তিন লাইনে দাঁড়ানো জানাজায় ইমামতি করেছিলেন মৌলভী আবদুল হালিম। দাফন শেষে আতœার শান্তি কামনা করে মোনাজাতও করে ছিলেন তিনি।

পিতা শেখ লুৎফর রহমান ও মাতা শেখ সাহেরা খাতুনের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙ্গালী স্বাধীন বাংলার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর লাশ দাফন শেষে সেনা সদস্যরা ডাইরিতে শেখ আব্দুল মান্নাফের স্বাক্ষর গ্রহণ করে চলে গেলেও কবর পুলিশ পাহারায় রেখে যান, যাতে সাধারণ লোক কবরের কাছে না ভিড়তে পারেন। তবুও টুঙ্গিপাড়াবাসী বঙ্গবন্ধুর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মিলাদ ও কুরআন খানি আয়োজন করেছিল। সারাদেশেই বিভিন্ন ধর্মীয় উপাষনালয়ে গোপনে বঙ্গবন্ধুর আতœার শান্তি কামনা করা হয়ে ছিলো, বাংলার অনেক মায়েরাই বঙ্গবন্ধুর আতœার শান্তির জন্য রোজা পালন করে ছিলেন, পিতারা রাত জেগে দোয়া করে ছিলেন, কিন্তু ঘাতকের ভয়ে কেউ প্রকাশ্যে কিছু বলার সাহষ পায়নি।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর অবদান ও তাঁর পরিবারকে নৃশংস ভাবে হত্যার ঘটনা জানে না এমন ব্যাক্তি বাংলাদেশে নাই কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে মানে না এমন পাকিস্থানী ভাবাদর্শের অনেক ব্যাক্তিই এখনো আছে। স্বাধীনতার ৪৮ বছরেও যেমন বাংলাদেশে পাকিস্থানী পন্থিরা শিকড় গেড়ে বসে আছে, তেমনি জাতির জনক হত্যার সেই কলঙ্কিত ঘটনার ৪৪ বছরেও জাতি কলংক মুক্ত হবার আশায় আছেন। এই কলংক মুক্ত হবার দায় বাংলাদেশের প্রতিটি জনগনের, বাংলাদেশের মালিকনা যিনি ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, অতচ তাঁর হত্যার বিচার ও শাস্তি আজো পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়নি। জাতির পিতার লাশ দাফন হয়েছে কিন্তু লাশের ভার এখনো জাতির কাধে, যে দিন বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিটি হত্যাকারীর বিচার ও শাস্তি কার্যকর হবে, সেই দিন জাতির পিতার লাশ জাতির কাধ থেকে সমাহিত হবে।

লেখক : মনজুরুল ইসলাম মেঘ
সাংবাদিক, সাহিত্যিক, গবেষক, চলচ্চিত্র নির্মাতা
বার্তা সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত)
দৈনিক ভোরের আলো
সহকারী সম্পাদক 
দি পার্লামেন্ট ফেইস

মন্তব্যঃ সংবাদটি পঠিত হয়েছেঃ 559 বার।





এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

০৩:০৮ মিঃ, মে ২৬, ২০২০

করোনায় নির্বাচন সংকটে ইসি

০৫:০১ মিঃ, আগস্ট ১৯, ২০১৯

পিতার লাশ জাতির কাঁধে

সর্বশেষ আপডেট

‘বঙ্গবন্ধু চিরঅম্লান, চিরভাস্বর, চিরঞ্জীব’ : জিএম কাদের জাতির পিতার স্বপ্নপূরণে মানুষের কল্যাণে কাজ করব: প্রধানমন্ত্রী এতিমরা একা নও, তোমাদের পাশে আমি আছি : প্রধানমন্ত্রী শোক দিবসে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের কর্মসূচি মৃত্যুহার কমে আসায় করোনা ব্রিফিং বন্ধ হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ক্যানসার-কিডনি-হৃদরোগের চিকিৎসার হাসপাতাল হচ্ছে ৮ বিভাগে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক রক্তের সম্পর্ক : নৌপ্রতিমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিভাগের নিয়মিত বুলেটিন সপ্তাহে দুইদিন প্রচারের আহ্বান কাদেরের ভারতের বিদায়ী হাইকমিশনারের সঙ্গে খাদ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ করোনার ভ্যাকসিন আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রয়েছে : অর্থমন্ত্রী যে কোনো সময় বদলি হতে পারবেন প্রাথমিক শিক্ষকরা : জাকির সাম্প্রদায়িক শক্তিকে প্রতিহত করতে হবে যেকোন মূল্যে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী সত্যিকারের রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা লোভে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়না: কাদের বঙ্গবন্ধু হত্যা সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র হত্যার ষড়যন্ত্রের অংশ : তথ্যমন্ত্রী অসাম্প্রদায়িক চেতনার মধ্য দিয়েই গড়ে তুলতে হবে সমৃদ্ধির সোপান : কাদের তরুণরাই যেকোন উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি : আইসিটি প্রতিমন্ত্রী প্রণব মুখার্জির দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিম্নমানের কাজ, অনিয়ম-দূর্নীতি কোন অবস্থাতেই সহ্য করা হবে না : তাজুল ইসলাম রাজনীতিতে প্রতিহিংসা ছড়ানোদের মুখে গণতন্ত্রের কথা ষড়যন্ত্রের অংশ : কাদের জন্মাষ্টমী উৎসব ভক্তগণকে শ্রীকৃষ্ণের জীবনাদর্শ অনুসরণ করতে অনুপ্রাণিত করবে : প্রধানমন্ত্রী