ঢাকা, শুক্রবার, আগস্ট ১৪ ২০২০,

এখন সময়: ০৮:০০ মিঃ

গৃহস্থালির সেবামূলক কাজে নারীর অবদান

মনজুরুল ইসলাম মেঘ  | ০৯:৫৮ মিঃ, জুন ৩০, ২০২০



নাগরিক জীবনমান বা রাষ্ট্রিয় মর্যাদার জন্য অর্থনৈতিক স্বাবলম্বী হওয়া আবশ্যক। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলিতে ন্যায় বিচার, মানবধিকার ও সুশাষন প্রতিষ্ঠা হওয়ার একটাই কারণ সেখানে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বেশি। শিক্ষা ছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়ণ সম্ভব নয় তেমনি নারী ও পুরুষের সম-অধিকার নিশ্চিত করতে না পারলে সেখানে কোন উন্নয়ণ ই টেকসই হবেনা। 


জীবন ধারণের জন্য অর্থের প্রয়োজন, এই জন্য চাকুরী, ব্যবসা বা যে কোন সেবামূলক কাজ করতে হয়, যার বিনিময়ে জনগন অর্থ উপার্জন করেন এবং জীবন পরিচালনা করেন। কিন্তু সংসার জীবনে অর্থ উর্পাজনের কাজের বাহিরেও এমন কিছু কাজ রয়েছে যার অর্থনৈতিক মূল্য এখনো নির্ধারণ হয়নি, ফলে বছরের পর বছর সংসারে নারী অবহেলিত ও অর্থনৈতিক মর্যাদা বঞ্চিত। 


কাজের রকম ভেদে একজন নারী সংসারে ৪০-৪৫ টি কাজ প্রতিদিন সম্পূর্ণ করেন, যেখানে একজন পুরুষ তার রুটিন কাজের বাহিরে মাত্র ৭-৮ টি কাজ করেন। এছাড়াও একজন নারী গড়ে প্রতিদিন ১৬ ঘণ্টার বেশি কর্ম করলেও তিনি সামাজিক ভাবে মাত্র ৮ ঘণ্টার মজুরী পান। একটু সহজ করে বলা যেতে পারে, যে নারী চাকুরী বা ব্যবসা করেন তিনি বাসায় ফিরে সংসারের আরো অনেক কাজ করেন যা তাঁর পুরুষ সঙ্গী করেন না। 


বিষয়টিকে আমারা এই ভাবে ব্যাখ্যা করতে পারি। আনিতা ও রাশেদের সংসারে দুটি বাচ্চা আছে, সঙ্গে তাদের বাবা থাকেন। তারা উভয়েই চাকুরী করেন। একজন গৃহপরিচারিকা আছেন, যাকে বিভিন্ন কাজে মাসে প্রায় আট হাজার টাকা সম্মানী প্রদান করতে হয়। বাসায় ফিরে আনিতা আরো যে পরিমানের কাজ করেন তার মূল্য আরো তিন হাজার টাকা। 


রুহুল ও নন্দিতা সংসারে দুটি শিশু আছে। তাদের সঙ্গে বাবা মাও থাকেন। রুহুল চাকুরি করেন। দশ হাজার টাকা সম্মানী পান। অপর দিকে নন্দিতা চাকুরী করেন না। তিনি বাসার সব কাজ করেন এবং সেলাইয়ের কাজ করে বাড়তি উপার্জন করনে।


আনিতা ও রাশেদ এর সংসারের যে পরিমানের কাজে ১১ হাজার টাকা খরচ হয় ঠিক সেই পরিমানের কাজ নন্দিতাও করেন, তিনি অতিরিক্ত ২ হাজার টাকা উপার্জনও করেন। তার স্বামীর থেকে ৩ হাজার টাকা বেশি অবদান রাখলেও সংসারে শাশুড়ীর কাছে থেকে শুনতে হয়, সারাদিন শুধু রান্না করেই দিন পার করেন। 


গৃহস্থালী কাজের পারিশ্রমিক মূল্য নির্ধারণ ও নিশ্চিত করতে হবে, তা না হলে নারীর অর্থনৈতিক উন্নয়ণ বা জীবনমান উন্নয়ণ হবেনা। একই সাথে নারীর মানবধিকার ক্ষুণœ ও তার সামাজিক মর্যাদাকে হেয় হতেই থাকবে। সচেতনার মাধ্যমে ঐই বৈষম্য দূর করতে হবে। যদি গৃহস্থালী কাজের পারিশ্রমিক মূল্য নির্ধারণ করে বাস্তবায়ণ করা যায় তাহলে জিডিপি ২৫ থেকে ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। 

 

মন্তব্যঃ সংবাদটি পঠিত হয়েছেঃ 67 বার।





এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

০২:২৩ মিঃ, জুলাই ২৩, ২০১৯

হাওরাঞ্চলে কাজ করছেন ৪ নারী ইউএনও

সর্বশেষ আপডেট

মৃত্যুহার কমে আসায় করোনা ব্রিফিং বন্ধ হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ক্যানসার-কিডনি-হৃদরোগের চিকিৎসার হাসপাতাল হচ্ছে ৮ বিভাগে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক রক্তের সম্পর্ক : নৌপ্রতিমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিভাগের নিয়মিত বুলেটিন সপ্তাহে দুইদিন প্রচারের আহ্বান কাদেরের ভারতের বিদায়ী হাইকমিশনারের সঙ্গে খাদ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ করোনার ভ্যাকসিন আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রয়েছে : অর্থমন্ত্রী যে কোনো সময় বদলি হতে পারবেন প্রাথমিক শিক্ষকরা : জাকির সাম্প্রদায়িক শক্তিকে প্রতিহত করতে হবে যেকোন মূল্যে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী সত্যিকারের রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা লোভে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়না: কাদের বঙ্গবন্ধু হত্যা সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র হত্যার ষড়যন্ত্রের অংশ : তথ্যমন্ত্রী অসাম্প্রদায়িক চেতনার মধ্য দিয়েই গড়ে তুলতে হবে সমৃদ্ধির সোপান : কাদের তরুণরাই যেকোন উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি : আইসিটি প্রতিমন্ত্রী প্রণব মুখার্জির দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিম্নমানের কাজ, অনিয়ম-দূর্নীতি কোন অবস্থাতেই সহ্য করা হবে না : তাজুল ইসলাম রাজনীতিতে প্রতিহিংসা ছড়ানোদের মুখে গণতন্ত্রের কথা ষড়যন্ত্রের অংশ : কাদের জন্মাষ্টমী উৎসব ভক্তগণকে শ্রীকৃষ্ণের জীবনাদর্শ অনুসরণ করতে অনুপ্রাণিত করবে : প্রধানমন্ত্রী ডিসেম্বরের মধ্যে দক্ষিণ সিটিকে জঞ্জালমুক্ত করা হবে : তাপস চলচ্চিত্র শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন শপথ নিলেন শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দ রাজাপাকসে প্রয়োজন হলে সীমিত পরিমাণে চাল আমদানি করা হবে : কৃষিমন্ত্রী