ঢাকা, শুক্রবার, আগস্ট ১৪ ২০২০,

এখন সময়: ১০:২০ মিঃ

জাতির প্রতি সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব ও গ্রহনযোগ্য নেতৃত্ব

মনজুরুল ইসলাম মেঘ | ০৪:০৮ মিঃ, জুলাই ১৮, ২০১৮



গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের শাসন ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে এই দেশের জনগনের হাতে। জনগনের হাতে ক্ষমতা থাকলেও সুনাগরিক বা যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচিত না হওয়ায়, আজ সাধারণ জনগন শোষিত হচ্ছে তাদের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতেই। প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতা জনগনের হাতে ন্যাস্ত, প্রাপ্ত বয়স্ক জনগনের ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয় সংখ্যাগরিষ্ঠ সংসদ সদস্য নিয়ে কোন রাজনৈতিক দল সরকার গঠন করে। সরকার গঠন করার পরে দেশের আইন পরিষদ বা সংসদ এর মাধ্যমে সারাদেশের শাসন ক্ষমতা বহন করেন নির্বাচিত  সংসদ সদস্যরা। কিন্তু বিগত সংসদীয় সরকারের পর্যালোচনা করে দেখা যায়, হাতেগনা কয়েকজন সংসদ সদস্য ছাড়া কেউই জনগনের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। কোন কোন  ক্ষেত্রে  বরং হয়েছে উল্টা জনগন নির্যাচিত, শোষিত হয়েছে জন প্রতিনিধিদের হাতে। সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য বিষয়ে জানার আগে তাদের ক্ষমতা সম্পর্কে জানা জরুরী। এই বিষয়ে আমি গত ২৮ মে, ২০০৯ সকাল ১০:৩০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘সংসদ ও সংসদ সদস্যদের বিশেষ অধিকার, ক্ষমতা ও দায়মুক্তি: স্বরূপ ও ব্যাপকতা’ শীর্ষক অনুষ্ঠিত গোলটেবিল আলোচনার উদ্বৃতি দিতে চাই।

(১) ত্বত্তাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এএসএম শাহাজাহান-এর সঞ্চালনায় আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদ। তিনি পার্লামেন্টারী এথিক্স কমিটি ও পার্লামেন্টারী ওয়াচ বডি গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পার্লামেন্টের ডিটেইলস্ প্রসিডিংস বের হতে অনেক সময় লাগে এটা দ্রুত ও পত্রিকায় প্রকাশ হওয়া দরকার। এছাড়া সংসদ সদস্য হিসেবে সংসদের বাইরে বিভিন্ন ভূমিকা পালনের ক্ষেত্রে একটি আচরণবিধি দ্রুত থাকা জরুরি বলেও তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠিত ঐ গোলটেবিল আলোচনায় ডেপুটি স্পীকার কর্ণেল (অবঃ) শওকত আলী নিজের কথা তুলে ধরে বলেন, আমি পঞ্চমবারের মতো সংসদে এসেছি। আমার বিশেষ অধিকার কী তা আমি এখনো জানি না। আমি জানি না এজন্য যে, আমি মনে করি না যে, আমার কোনো বিশেষ অধিকার থাকা উচিত। তিনি বলেন, আমি পার্লামেন্টে দায়িত্ব পালন করি এটাই আমার বিশেষ অধিকার। ক্ষমতা প্রসঙ্গে শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ক্ষমতা আমাদেরকে বারবার দুর্নীতিগ্রস্থ করেছে। সংসদ সদস্যরা মোটেই আইনের উর্দ্ধে নয় উল্লেখ করে তিনি সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমাদেরকে আরো সতর্ক হওয়া উচিত, আমরা নিজেরাই নিজেদের ওপর সেলফ ইমপোজ করতে পারলে ভালো হয়। এছাড়া প্রচলিত
আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে চলার জন্যও তিনি সংসদ সদস্যদের আহবান জানান।

উক্ত আলোচনার মূল প্রবন্ধে ‘সুজন’ সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, সংসদীয় কার্যক্রম যথাযথ ও পরিপূর্ণভাবে পরিচালনার জন্য সংসদ ও সংসদ সদস্যদের বিশেষ অধিকার, ক্ষমতা ও দায়মুক্তির বিধান অপরিহার্য।

সুজন আয়োজিত ঐ আলোচনা ও গনমাধ্যমে আসা বিভিনড়ব নিবন্ধ, প্রবন্ধ থেকে আমরা বলতে পারি সংসদ সদস্যদের আচরণ প্রমত জনগনের কাছে সুস্পষ্ট হতে হবে। জনগন যেন কোন ভাবেই সংসদ সদস্যদের আচরণে কষ্ট না পায়। আমারা সাম্প্রতিক কালে বাংলাদের সংসদ সদস্যদের আচরণে দেখিছি একজন সংসদ সদস্য শিশুকে গুলি করছেন, একজন সংসদ সদস্য শিক্ষককে লাঞ্চিত করছেন। এসব বিচ্চিনড়ব ঘটনা হলেও হরহামেশায় ঘঠনা গুলো ঘটছে। অনেক সংসদ সদ্যদের নামে মানুষ হত্যা, চাঁদাবাজি, ধর্ষন ও মাদক ব্যবসার সাথে সংশ্লষ্টিতার খবরও গনমাধ্যমে এসেছে। উনড়বত বিশ্বে সংসদ সদস্যদের জন্য আচরণ বিধি আছে এবং সংসদ সদ্যরা সেই আচরণ বিধি মানতে ব্যাধ্য। যেমন ইংল্যান্ডের হাউস অব কমন্স, ভারতীয় লোকসভা ও রাজ্যসভা, কানাডিয়াান পার্লামেন্ট এবং সাউথ আফ্রিকান পার্লামেন্টে সংসদ সদস্যদের জন্য আচরণবিধি আছে।

(২) সংসদ সদস্যদের আচরণ সম্পর্কে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ‘কমিটি অন স্ট্যান্ডার্ড ইন পাবলিক লাইফ’ তার পঞ্চম প্রতিবেদনে সাতটি মানদন্ড চিহ্নিত করেছে সংসদ সদস্যদের জন্য এগুলো হলো: (ক) নিঃস্বার্থতা, (খ) সত্যনিষ্ঠতা বাসাধুতা, (গ) বস্তুনিষ্ঠতা, (ঘ) দায়বদ্ধতা, (ঙ) উন্মুক্ততা বা মুক্তমনা, (চ) ন্যায়পরায়নতা ও (ছ) নেতৃত্ব । এ ছাড়া ভারতীয় লোকসভার সদস্যদের জন্য প্রণীত আচরণবিধিতে আরও দুটি মানদন্ড যুক্ত করা হয়: জনস্বার্থ ও দায়িত্ব। বাংলদেশে এই ধরনের কোন আচরণ বিধি না থাকলেও ২০১০ সালে নবম সংসদে ‘সংসদ সদস্য আচরণ আইন- ২০১০’ শিরোনামে একটি বিল এনেছিলেন সাংসদ সাবের হোসেন চৌধুরী। সংসদের ‘বেসরকারি সদস্যদের বিল এবং বেসরকারি সদস্য বিল প্রস্তাব কমিটি’ প্রয়োজনীয় পরীক্ষার পর ২০১১ সালে সংশোধিত আকারে বিলটি সংসদে পাসের সুপারিশ করেছিল। কিন্তু বিলটি এখনো অনুমোদন পায়নি। বর্তমানে, বাংলাদেশের জনপ্রতিনিধি বা সংসদ সদস্যদের
দায়িত্ব সম্পর্কে বাধ্যবাধকতার জন্য এই বিলটি এখন সময়ের দাবি। সংসদ সদস্যরা যদি নিজের আচরণের জন্য করতে বাধ্য থাকনে তাহলে তারা তাদের প্রতি জনগনের অর্পিত দায়িত্ব পালনে যথেষ্ট সচেতন হবেন এবংজনগনের আশার প্রতিফলন ঘটাবে।

বাংলাদেশের সংসদ সদস্য হলেন দেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান জাতীয় সংসদের একজন সদস্য। সংসদ সদস্যকে কখনো কখনো “সাংসদ” হিসাবে অভিহিত করা হয়ে থাকে। সংসদ সদস্য’র ইংরেজি প্রতিশব্দ মেম্বার অব পার্লামেন্ট (এমপি) বা মেম্বার অব দ্য লেজিসলেটিভ এসেম্বলি (এমএলএ)। ফরাসী ভাষায় সংসদ সদস্যকে ডেপুটি নামে অভিহিত করা হয়। যে সকল দেশে দ্বি-কক্ষবিশষ্ট আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে, সেখানে সংসদ সদস্য বলতে নিমড়বকক্ষের সদস্যকে বোঝানো হয়ে থাকে। তবে বাংলাদেশে এক কক্ষবিশিষ্ট সংসদীয় স্তর বিরাজমান।

(৩) বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের সদস্যতা লাভের জন্য বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে এবং বয়সসীমা অবশ্যই ২৫ বছরের ঊর্ধ্বে হতে হবে। দ্বৈত নাগরিকত্ব হলে তিনি এমপি বা সংসদ সদস্য হতে পারবেন না। সাধারণত: সংসদ সদস্যরা জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে থাকেন। তবে নারীদের জন্য পরোক্ষভাবে বা সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য মনোনীত হওয়ার পদ্ধতিও রয়েছে। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ৩০০ জন্য সংসদ সদস্য রয়েছেন যারা জনগণের সরাসরি ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে নির্বাচত। নারী কোটায় মনোনীত নারী সংসদ সদস্যের সংখ্যা ৪৫। দলীয় মানদন্ডে মহিলা সংসদ সদস্যের কোটা নির্ধারিত হয়।

সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব ও মর্যাদা: সংসদ সদস্য নিয়মিত ভাবে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে যোগ দেবেন এবং জাতীয় সংসদের কার্যবিধি অনুযায়ী স্বীয় দায়িত্ব পালন করবেন। সংসদ সদস্য একটানা ৯০ দিন সংসদীয় অধিবেশনে অনুপস্থিত থাকলে তার সদস্যপদ হারাবেন। একজন সংসদ সদস্য আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে যথাযথ পদ্ধতি অবলম্বনপূর্বক বিল উত্থাপন করতে পারবেন এবং তিনি অন্য কোন সংসদ সদস্য কর্তৃক উত্থাপিত বিলের ওপর ভোট দিতে পারবেন। ১৫ দিনের নোটিশ সাপেক্ষে তিনি জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে
প্রশড়ব উত্থাপন করতে পারবেন। স্পীকারের অনুমোদন সাপেক্ষে তিনি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণমূলক বক্তব্য প্রদান করতে পারবেন। একজন সংসদ সদস্য ৫ বৎসরের জন্য  শপথ গ্রহণ করতে হয়। পদত্যাগ, মৃত বা অভিশংসনে কারণে সদস্যপদ শূন্য হলে উপ-নির্বাচনের মাধ্যমে তা পূরণে করার বিধান আছে। কার্যকালে কোন সংসদ সদস্য নিজ দল থেকে
পদত্যাগ করলে সংষদ সদস্যপদ হারাবেন। এছাড়া তিনি স্বীয় দল কর্তৃক উত্থাপিত বিলের বিরূদ্ধে ভোট দিলেও সংষদ সদস্যপদ হারাবেন। বাংলাদেশের ওয়রেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুযায়ী মন্ত্রীদের পরেই সংসদ সদস্যদের আনুষ্ঠানিক পদমর্যাদা। তবে কেবিনেট সচিবের অবস্থান সংসদ সদস্যদের এক ধাপ ওপরে।

সংসদীয় কার্যক্রম যথাযথ ও পরিপূর্ণভাবে পরিচালনার জন্য সংসদ ও সংসদ সদস্যদের বিশেষ অধিকার, ক্ষমতা ও দায়মুক্তির বিধান অপরিহার্য।

 গ্রহণযোগ্য নেতৃত: জনপ্রতিনিধি হতে হবে গনতান্ত্রিক ভাবে নির্বাচিত জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী তাহলেই কেবল তার নেতৃত্ব জনগন গ্রহণ করবেন। ক্ষমতার অপব্যবহার বা জোরপূর্বক ক্ষমতা দখল করে ক্ষমতা গ্রহণ করা যেতে পারে কিন্তু জনগন তা প্রত্যাখান করবে। জোরপূর্বক বা পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতা দখল করে দেশ পরিচালনা বা আইন প্রণয়ন করাসম্ভব কিন্তু তা দারা জনগনের প্রত্যাশা পূরণ হবে না। রাষ্ট্রবিজ্ঞান এর নিয়ম অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করতে হবে সুশৃঙ্খল ভাবে। গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাষ্ট্রপরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে জনগনের হাতে । কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য এখন পৃথিবীর অনেক দেশেই গনতন্ত্রের চর্চা তেমন হচ্ছেনা। গনতান্ত্রিক চর্চায় বাংলাদেশের অবস্থান আরো শোচনীয়। এই দেশে যারা নির্বাচিত হচ্ছে তাদের অনেকেরই গ্রহণযোগ্যতা শূণ্যের কোঠায়। বর্তমান সংসদের অনেক সংসদ সদস্যকেই জনগন প্রত্যাক্ষান করেছে তাদের নৈতিক পদস্থলনের জন্য। আবার অনেক সংসদ সদস্য ইতিমধ্যেই প্রশংসা অর্জন করেছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী একজন সংসদ সদস্য হিসাবে দেশে বিদেশে প্রশংসিত হলেও তার নেতৃত্বে পরিচালিত সরকারের অনেক এমপি ও মন্ত্রীদের নামে নানা ঘটনা গনমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশ আইন পরিষদের সদস্য হিসাবে তাদের জনগনের সেবা করা উচিৎ ছিলো কিন্তু তারা সেটা করতে ব্যর্থ হয়েছে। তাই যেসকল সংসদ সদস্য জনগনের জান-মালের জন্য হুমকি হয়ে দাড়িয়েছেন তাদের নেতৃত্ব জনগন প্রত্যাখ্যান করেছে।

একজন সংসদ সদস্যের কাছে জনগন প্রম আশা করে ভালো ব্যবহার, নিরাপত্তা ও সুবিচার। কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশে এই তিনটি জিনিসের বড়ই অভাব। সংসদ সদস্যদের মুখের ভাষা শুনলে সাধারণ জনগন মনে করেন তারা খারাপ ব্যবহার করার জন্যই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। এটা কখনোই কাম্য নয়, জনপ্রতিনিধিদের ব্যবহারের মাধ্যমেই সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি হতে পারে। আমরা আজো গ্রাম বাংলার মানুষের মুখে শুনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ব্যবহারের কথা, তিনি বিরোধী দলের একজন কর্মীর সঙ্গেও ভালো ব্যবহার করতেন, তার ব্যবহারে মুগ্ধ হয়ে হাজার হাজার তরুন-তরুনী রাজনীতিতে নাম লিখিয়েছেন, বাংলাদেশ স্বাধীন করার জন্য যুদ্ধ করেছেন, জীবন দিয়েছেন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় আজো বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সেমানের কোন নেতা তৈরী হয়নি। তৈরী হয়নি বিরোধী দলগুলোতে যেমন, ঠিক আওয়ামী লীগেও নেই। অথচ আমাদের দরকার ছিলো বঙ্গবন্ধুর আদের্শের নেতা।

 সংসদ সদস্যের কাছে নিরাপত্তা ! এই কথাটা আজ যেনো সোনার হরিণ হয়েছে। মানুষ আজ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। মানুষ তার সব আশ্রয়হীন হওয়ার পরেও এই আশার আলো দেখে জনপ্রতিনিধিদের কাছে নিরাপত্তা পাবে। কিন্তু জনপ্রতিনিধিরা জনগনের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। অনেক সময় গনমাধ্যমের সংবাদে আমরা দেখেছি জনপ্রতিনিধিদের কাছে নিরাপত্তা চেয়ে জনগন ভোগান্তিতে পড়েছে, কোথাও কোথাও আরো নিরাপত্তা হারিয়েছে।

সুবিচার শব্দটি তো আজকাল কাগজে লিপিবদ্ধ হয়েজাদুঘরে চলে গেছে। চারদিকে এত এত দূর্নীতি যে সুবিচার কোথাও নেই। যে যা পারছে নিজের আখের গোছাতে ব্যস্ত। কিন্তু জনগনের কল্যানের জন্য ন্যায়সঙ্গত বিচার ব্যবস্থা থাকা উচিৎ। আমরা গনমাধ্যমে দেখেছি জনপ্রতিনিধির কাছে বিচার চেয়ে শুধু অবিচারই নয় অত্যাচারিতও হয়েছেন। এই অবিচারের বলি হয়ে অনেকে জীবন দিয়েছেন, বসত বাড়ি হারিয়েছেন। সংখ্যা লঘুরা নির্যাচত হয়েছেন কিন্তু সুবিচার পায়নি।

তাই গণতান্ত্রিক দেশে গ্রহনযোগ্য নেতৃত্ব দরকার। নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য গণতান্ত্রিক ভাবে সুষ্ট নিয়মে নির্বাচনের কোনই বিকল্প নেই। একমাত্র সুষ্ট নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগনের প্রত্যাশা অনুযায়ি নেতৃত্ব নির্বাচন করা সম্ভব। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, দেশের উন্নায়ন হচ্ছে এখন শুধু দরকার মানবিক উন্নায়ন, নৈতিক উন্নায়ন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার উন্নায়ন, সর্বোপরি মানবিক নেতৃত্বের প্রয়োজন।

তথ্য সূত্র:(১) সূত্র সুজন https://shujan.org. ২০০৯/০৫/২৮
সংসদ ও সংসদ সদস্য বিশ
(২)Committee on Standards in Public Life,
(৩) বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৬ অনুষেদ

মন্তব্যঃ সংবাদটি পঠিত হয়েছেঃ 1467 বার।





এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

০৭:২৯ মিঃ, নভেম্বর ১৫, ২০১৮

স্বরূপে ফিরেছে বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট

‘বঙ্গবন্ধু চিরঅম্লান, চিরভাস্বর, চিরঞ্জীব’ : জিএম কাদের জাতির পিতার স্বপ্নপূরণে মানুষের কল্যাণে কাজ করব: প্রধানমন্ত্রী এতিমরা একা নও, তোমাদের পাশে আমি আছি : প্রধানমন্ত্রী শোক দিবসে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের কর্মসূচি মৃত্যুহার কমে আসায় করোনা ব্রিফিং বন্ধ হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ক্যানসার-কিডনি-হৃদরোগের চিকিৎসার হাসপাতাল হচ্ছে ৮ বিভাগে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক রক্তের সম্পর্ক : নৌপ্রতিমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিভাগের নিয়মিত বুলেটিন সপ্তাহে দুইদিন প্রচারের আহ্বান কাদেরের ভারতের বিদায়ী হাইকমিশনারের সঙ্গে খাদ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ করোনার ভ্যাকসিন আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রয়েছে : অর্থমন্ত্রী যে কোনো সময় বদলি হতে পারবেন প্রাথমিক শিক্ষকরা : জাকির সাম্প্রদায়িক শক্তিকে প্রতিহত করতে হবে যেকোন মূল্যে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী সত্যিকারের রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা লোভে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়না: কাদের বঙ্গবন্ধু হত্যা সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র হত্যার ষড়যন্ত্রের অংশ : তথ্যমন্ত্রী অসাম্প্রদায়িক চেতনার মধ্য দিয়েই গড়ে তুলতে হবে সমৃদ্ধির সোপান : কাদের তরুণরাই যেকোন উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি : আইসিটি প্রতিমন্ত্রী প্রণব মুখার্জির দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিম্নমানের কাজ, অনিয়ম-দূর্নীতি কোন অবস্থাতেই সহ্য করা হবে না : তাজুল ইসলাম রাজনীতিতে প্রতিহিংসা ছড়ানোদের মুখে গণতন্ত্রের কথা ষড়যন্ত্রের অংশ : কাদের জন্মাষ্টমী উৎসব ভক্তগণকে শ্রীকৃষ্ণের জীবনাদর্শ অনুসরণ করতে অনুপ্রাণিত করবে : প্রধানমন্ত্রী