স্বাভাবিক চলাচলের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করতে বাধ্য হয়েছি : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ: | ১১:০৯ মিঃ, মে ১৩, ২০২১



মানুষের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস ছড়ায় জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কাজেই জনসমাগম এড়াতে না পারলে এ রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব নয়। এ কারণে কষ্ট হবে জেনেও আমরা বাধ্য হয়েছি মানুষের স্বাভাবিক চলাচলের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করতে। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে শুভেচ্ছা ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। যারা বিত্তবান ও যাদের সামর্থ্য আছে তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এই দুঃসময়ে আপনার দরিদ্র প্রতিবেশী, গ্রামবাসী বা এলাকাবাসীর পাশে দাঁড়ান। তাদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন। আপনার সাহায্য হয়তো একটি পরিবারের মুখে হাসি ফোটাবে। দেখবেন, তাদের হাসিমুখ আপনার হৃদয়মনকেও পরিপূর্ণ করে তুলবে ঈদের আনন্দে। সবাইকে নিজ নিজ স্থান থেকে ঈদ উদযাপনের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা সবাই যে যেখানে আছি সেখান থেকেই ঈদের আনন্দ উপভোগ করি।

বাংলাদেশের জনগণসহ বিশ্ববাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঈদের দিন আনন্দের দিন। মনের সব কালিমা দূর করে, মানুষে মানুষে ভেদাভেদ ভুলে একে অপরের সঙ্গে মিলিয়ে যাওয়ার মধ্যেই ঈদের আনন্দ। আজকের দিনে আমরা হিংসা-বিদ্বেষ, ঘৃণা, লোভ, অহমিকা, ক্রোধ, অহংকার ইত্যাদি যাবতীয় কুপ্রবৃত্তি থেকে নিজেদের মুক্ত করে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য, সৌহার্দ্য, সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার শপথ নেবো।

ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে মাস্কের ব্যবহার অত্যন্ত ফলপ্রসূ বলে প্রমাণিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তবে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে নাগরিক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি।কাজেই বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করবেন। পাশাপাশি যথাসম্ভব ঘনঘন সাবানপানি দিয়ে হাত ধুয়ে নিন অথবা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত জীবাণুমুক্ত করুন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। সেই সাথে গরম পানির ভাপ নিতে পারেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে এবারও আমাদের ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে হচ্ছে। আমরা ঈদ উদযাপন করবো, তবে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে। কোনোভাবেই এই ঈদ উদযাপন যাতে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধির উপলক্ষ হয়ে না উঠে, সেদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। দেশের জনগণের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনারা আবেগের বশবর্তী হয়ে আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে ঈদের ছুটি কাটাতে যাবেন না। অনেকের কোন বাহ্যিক লক্ষণ না থাকায় আপনি বুঝতে পারবেন না আপনার পাশের ব্যক্তিটিই করোনা ভাইরাস বহন করছে। ফলে আপনি যেমন করোনা ভাইরাসের ঝুঁকিতে পড়বেন, তেমনি আপনার নিকটাত্মীয় বা পাড়া-প্রতিবেশীকে ঝুঁকির মুখে ফেলবেন। মনে রাখবেন, সবার উপরে মানুষের জীবন। বেঁচে থাকলে আসছে বছর আবার আমরা আনন্দঘন পরিবেশে ঈদ উদযাপন করতে পারবো।

মন্তব্যঃ সংবাদটি পঠিত হয়েছেঃ 34 বার।




সর্বশেষ আপডেট

পরমাণু যুদ্ধ যেকোনো মূল্যে এড়িয়ে চলতে হবে জিয়াউর রহমান তরুণ প্রজন্ম নষ্টের জন্য দায়ী পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে স্পষ্ট রোডম্যাপ চেয়েছেন বিএনপির মুখে দুর্নীতি বিরোধী বক্তব্য ভূতের মুখে রাম নাম যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১০ লাখ কোভ্যাক্সের টিকা আসবে কোনোভাবেই যেন সুন্দরবন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন সরকার গণমাধ্যমের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে সমুন্নত রেখেছে ক্ষমতা ধরে রাখতে হাজার হাজার গাছ কেটে ফেলেছিলেন জিয়াউর রহমান নিউইয়র্কে বঙ্গবন্ধু লাউঞ্জের উদ্বোধন করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্ষমতালিপ্সু আলেম নামধারীদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে এসএসএফকে প্রশিক্ষিত-দক্ষ করা হচ্ছে যুগের সঙ্গে তালমিলিয়ে আবারও মুসলিমদের সমর্থনে জোরালো কন্ঠ জেসিন্ডার বাইডেন ইসরায়েলে সরকার বদল বেনেটকে স্বাগত জানালেন কে কোন পদে ইসরাইলের নতুন সরকারে করোনা নিয়ে কোনো রকম ঝুঁকি নিতে না করেছেন প্রধানমন্ত্রী ৬ দিন বিরতির পর বসেছে সংসদ অধিবেশন গণতন্ত্র বিকাশে সবচেয়ে বড় বাধা বিএনপির হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীত মাস্ক না পরায় ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টকে জরিমানা র‍্যাঙ্ক ব্যাজ পরানো হলো বিমানবাহিনীর নতুন প্রধানকে