ইতিহাসের সৃষ্টি ইতিহাসের স্রষ্টা

আনিসুজ্জামান | ০৩:৩৭ মিঃ, জুলাই ২১, ২০১৮



বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একই সঙ্গে ইতিহাসের সৃষ্টি ওইতিহাসের স্রষ্টা । বরং যথার্থ বলতে গেলে তিনি যত ইতিহাসের সৃষ্টি, তার চেয়ে বেশি ইতিহাসের স্রষ্টা । স্কুল জীবন পর্যন্ত তাঁর কেটেছে গোপালগঞ্জে। সেখানে ঢেউ এসে লেগেছে বাংলার রাজনীতির, কখনো বা ভারতের রাজনীতির, ক্বচিৎ কখনো দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ ও তার পরবর্তীকালের আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির। সশস্ত্র বিপ্লবীদের আত্মত্যাগের কথা শুনে এবং ঘরের কাছে মাদারীপুরের পূর্ণচন্দ্র দাশের বিপ্লবী প্রয়াসের কথা জেনে তিনি প্রথমে আকৃষ্ট হন স্বদেশি আন্দোলনের দিকে। সুভাস চন্দ্র বসুর জীবনের শেষ পর্যায়ে তিনি অনুরক্ত হন তাঁর প্রতি।

১৯৩৮ সালে বাংলার প্রধানমন্ত্রী এ কে ফজলুল হক এবং শ্রমমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী গোপালগঞ্জে এলে তাঁদের সম্মানে আয়োজিত হয় অভ্যর্থনা, জনসভা ও প্রদর্শনী। এই উপলক্ষে স্কুলের ছাত্র শেখ মুজিব হন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা। শেষ মুহূর্তে কংগ্রেসের নির্দেশে বর্ণহিন্দু তরুণেরা এই আয়োজন থেকে সরে দাঁড়ায়। হিন্দু সমাজের ছুঁৎমার্গ শেখ মুজিবকে কিছুটা আহত করেছিল, এই সংবর্ধনাঘটিত বিষয়টি তাঁর মনে বিশেষ প্রভাব বিস্তার করল। পরের বছর কলকাতায় গিয়ে সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে তিনি সাক্ষাৎ করেন এবং ফিরে এসে মাদারীপুরে মুসলিম ছাত্রলীগ ও মুসলিম লীগ গঠন করেন। ছাত্রলীগের সম্পাদক হন তিনি নিজে এবং মুসলিম লীগের সম্পাদক অন্য কেউ হলেও তার কাজকর্ম পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি।

বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের অভ্যন্তরে তখন দু’টি উপদল ছিল। একটি মোহাম্মদ আকরম খাঁ- খাজা নাজিমুদ্দিনের নেতৃত্বাধীন, অন্যটি সোহরাওয়ার্দী-আবুল হাশিমের। দ্বিতীয় উপদলটি পরিগণিত হতো প্রগতিশীল বলে। তাঁরা মুসলিম লীগকে জনগণের প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে চেষ্টা করেন এবং জমিদারি প্রথা উচ্ছেদের সংকল্প ঘোষণা করেন। শেখ মুজিব এই উপদলে জড়িত হন এবং আবুল হাশিমের পরামর্শে মুসলিম লীগের সার্বক্ষণিক কর্মী হয়ে উঠেন।

১৯৪৩ সালে বাংলায় দেখা দেয় ভয়াবহ মন্বন্তর। ইসলামিয়া কলেজের ছাত্র শেখ মুজিব তখন দিনভর লঙ্গরখানায় কাজ করেছেন, রাতে কখনো বেকার হোস্টেলে ফিরেছেন, কখনো মুসলিম লীগের অফিসে শুয়ে রাত কাটিয়েছেন।

১৯৪৬ সালের ১৬ আগস্টে মুসলিম লীগ প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস আহ্বান করে। এর প্রাক্কালে সোহরাওয়ার্দী কর্মীদের বলেন দিনটি যাতে শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে এবং আবুল হাশিম তাঁদের বলেন দিনটি যে হিন্দুর বিরুদ্ধে নয়, ব্রিটিশ শাসকদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম হিসেবে পালিত হচ্ছে, হিন্দু মহল্লায় গিয়ে তা বোঝাতে। কিন্তু দিনটি ঘিরে সংঘটিত হয় কলকাতার ভয়াবহতম হত্যাকা- এবং পরে তা ছড়িয়ে পড়ে নোয়াখালি ও বিহারে। শেখ মুজিবের নেতৃত্বে একদল কর্মী তখন হিন্দু এলাকা থেকে মুসলমান ছাত্রীদের উদ্ধার করতে এবং তাঁদের কলেজের হিন্দু অধ্যাপককে পাহারা দিয়ে মুসলমান এলাকায় আনা- নেওয়া করতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করেন।

মুসলিম লীগের সকল সিদ্ধান্ত যে শেখ মুজিবের ভালো লেগেছিল, তা নয়, কিন্তু কর্মী হিসেবে তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কিছু বলা তাঁর পক্ষে সম্ভবপর হয়নি। যেমন, ১৯৪৭ সালে লাহোর প্রস্তাবের ‘স্টেটস’ শব্দ বদলিয়ে ‘স্টেট’ করা, সোহরাওয়ার্দী-আবুল হাশিমের স্বাধীন সার্বভৌম ও অখন্ড বাংলা গঠনের প্রস্তাব ব্যর্থ করা এবং পূর্ববঙ্গ আইনসভার নতুন নেতা নির্বাচনের নির্দেশ দিয়ে সোহরাওয়ার্দীকে হারিয়ে দেওয়া (পশ্চিম পাঞ্জাবে তা করা হয়নি)। শেষোক্ত বিষয়টি শেখ মুজিব দেখেন সোহরাওয়ার্দীর বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় মুসলিম লীগের কতিপয় নেতার ষড়যন্ত্র হিসেবে এবং পরে তাঁর মনে হয়, সেই ছিল পাকিস্তানে ষড়যন্ত্রের রাজনীতির শুরু।

দেশভাগের পর কলকাতা থেকে শেখ মুজিব যখন বিদায় নেন, তখন সোহরাওয়ার্দী তাঁকে বলেছিলেন, পাকিস্তানে যেন সাম্প্রদায়িক হাঙ্গামা না হয়, তা দেখতে। ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকায় যখন গণতান্ত্রিক যুবলীগ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়, তখন শেখ মুজিব বলেন যে, এই সংগঠনের একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য কাজ করা। গণতান্ত্রিক যুবলীগে অর্থনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণের বিরোধিতা করে তিনি মত প্রকাশ করেন যে, মাত্র দু মাস হলো দেশ স্বাধীন হয়েছে, এখন এমন দাবি তোলা উচিত নয়। এই উদযোগ থেকে তিনি কেবল সরে আসেননি, মোগলটুলিতে মুসলিম লীগ অফিসে গণতান্ত্রিক যুবলীগের সাইনবোর্ড টাঙানো হলে তিনি তা নামিয়ে নিতে বাধ্য করেন এবং যুবলীগের কর্মীদের নিজেদের জিনিসপত্র নিয়ে সেখান থেকে চলে যেতে বলেন। কিন্তু মুসলিম লীগ সরকারের প্রতি আস্থা তিনি বেশিদিন টিকিয়ে রাখতে পারেননি।

তাই ১৯৪৮ সালের জানুয়ারি মাসে তিনি সরকার পৃষ্ঠপোষিত নিখিল পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগের বিপরীতপক্ষে পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ গঠনের উদযোগ নেন। ফেব্রুয়ারি মাসে রাষ্ট্রভাষার প্রশ্নটি সামনে চলে এলে ছাত্রলীগ বাংলার পক্ষে দাঁড়ায়।

১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ আহূত ধর্মঘটে যোগ দিয়ে সচিবালয়ের সামনে পিকেটিং করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হন শেখ মুজিব। পাকিস্তানে তাঁর এই প্রথম কারাবাস। ১৯৪৯ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত এবং পরে কারাগারে নিক্ষিপ্ত হন। তাঁর কারাবাসকালে নতুন রাজনৈতিক দল আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত এবং এবং তিনি তার দুজন যুগ্ম সম্পাদকের একজন নির্বাচিত হন।

এরপর থেকে পাকিস্তানে গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং শেখ মুজিবের জীবনযাত্রা প্রায় অভিন্ন হয়ে ওঠে। পঞ্চাশের দশকে আওয়ামী মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তিনি অসাধারণ সাংগঠনিক ক্ষমতার পরিচয় দেন। তিনি প্রথমবার মন্ত্রী হলে ষোলো দিন পর কেন্দ্রীয় সরকার সে মন্ত্রিসভা ভেঙ্গে দেয়, আরেকবার তিনি মন্ত্রিত্ব ত্যাগ করেন দলীয় সাংগঠনিক কাজে মনোনিবেশ করবেন বলে। তিনি যে কত নির্লোভ ছিলেন, এ ঘটনা তার পরিচয় বহন করে। আওয়ামী মুসলিম লীগের নাম থেকে মুসলিম শব্দ বর্জনে এবং প্রাদেশিক আইনসভায় পূর্ব বাংলার জন্যে যুক্ত নির্বাচন প্রথার পক্ষে প্রস্তাব গ্রহণে তাঁর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।

গণপরিষদের সদস্য হিসেবে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধানে তিনি দেশের নাম থেকে ইসলামি প্রজাতন্ত্র কথাগুলি বর্জন, পূর্ববঙ্গের নাম পূর্ব পাকিস্তান না রেখে পূর্ববাংলা করা এবং প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের বিধান রাখার প্রস্তাব করেন, যদিও তার কোনোটাই গৃহীত হয়নি। ১৯৫৮ সালে পাকিস্তানে সামরিক শাসন প্রবর্তিত হলে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হয়, মুজিব প্রথমে কারাবন্দি এবং পরে সগৃহে অন্তরীণ হন। প্রাদেশিক  স্বায়ত্তশাসন ছিল শেখ মুজিবের ধ্যানজ্ঞান। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের উদাসীন্যে তিনি পাকিস্তানের অখন্ডতায় আস্থা হারিয়ে ফেলেন। ষাটের দশকে পূর্ব বাংলাকে স্বাধীন করার লক্ষ্যে ছাত্রলীগের নেতারা দুটি পৃথক গোপন সংগঠন করলে মুজিব তা সমর্থন করেন বলে দাবি করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের সভাপতিরূপে ১৯৬৬ সালে তিনি ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন এবং তা লাহোর প্রস্তাবের প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের লক্ষ্যে রচিত বলে তিনি ঘোষণা দেন। তার বিরুদ্ধে সরকার শক্ত অবস্থান নিলে মুজিব পূর্ব বাংলার সর্বত্র জনসভা করে এর পক্ষে জনমত গঠন করেন। এই সময়ে তিনি ক্রমাগত গ্রেপ্তার হতে থাকেন এবং মামলায় জামিন নিয়ে আবার জনসভা করতে থাকেন।

১৯৬৮ সালে তাঁর এবং আরো ৩৪ জনের বিরুদ্ধে সরকার পূর্ব পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে তাঁদের বিচারের উদযোগ নেয়। তাতে ফল হয় অভিপ্রায়ের বিপরীত। মুজিবের মুক্তির দাবিতে, তথাকথিত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে নিতে এবং ছ-দফা দাবির সমর্থনে পূর্ব বাংলায় গণ অভ্যুত্থান ঘটে এবং প্রেসিডেন্ট আইউব পদত্যাগ করতে বাধ্য হন, তবে তিনি ক্ষমতা হস্তান্তর করেন প্রধান সেনাপতি ইয়াহিয়া খানের কাছে।

এই মামলায় বন্দি থাকা অবস্থায় শেখ মুজিবকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র হয়, তবে তা জানতে পেরে তিনি সতর্কতা অবলম্বন করলে সে পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্ত কর্নেল (অবঃ) শওকত আলী অনেক পরে একটি বই লিখে তাঁদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য বলে জানান। মামলা থেকে মুক্তিলাভের পর শেখ মুজিবকে ঢাকায় বিশাল সংবর্ধনা দেওয়া হয় এবং তাঁকে ভূষিত করা হয় বঙ্গবন্ধু বলে। তিনি আরোহণ করেন জনপ্রিয়তার শিখরে।

১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রত্যাশাতীতভাবে নিঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে, কিন্তু ক্ষমতাসীন শাসকচক্র তাঁর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে এবং তাঁর দলের অভিপ্রায় অনুযায়ী সংবিধান রচনা করতে দিতে অস্বীকার করে।

তার প্রতিবাদে ১৯৭১ এর মার্চ মাসে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে পূর্ববাংলায় যে, অহিংস অসহযোগ আন্দোলন গড়ে ওঠে, তা সারা পৃথিবীকে চমকিত করে। সেনানিবাস ছাড়া, তখন আর সবকিছু চলে তাঁর নির্দেশে। ৭ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে তিনি যে ভাষণ দেন, তা এখন পৃথিবীর অন্যতম সেরা ভাষণের মর্যাদা লাভ করেছে। জনসাধারণের স্বাধীনতা দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এই ভাষণে একতরফা স্বাধীনতা ঘোষণা না করেও বঙ্গবন্ধু অনানুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতাই ঘোষণা করেন। দেশবাসীকে তিনি ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলার এবং যার যা আছে তা নিয়ে শত্রুকে মোকাবেলা করার আহ্বান জানান। তিনি গর্জে ওঠেন: এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।

২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর চরম আঘাত হানে। শেখ মুজিব স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন, তবে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়। শুরু হয় বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ। ভারতে আশ্রয় নিয়ে গড়ে ওঠে বাংলাদেশ সরকার, মুজিবকে ঘোষণা করা হয় রাষ্ট্রপতিরূপে। পাকিস্তানের আদালতের বিচারে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে বঙ্গবন্ধুকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়, কিন্তু বিশ্বজনমতের চাপে তা কার্যকর করতে পারেনি সরকার। এদিকে মুজিবের নামে পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধে বাংলার মানুষ বিজয় লাভ করে। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত বঙ্গবন্ধু বিজয়ীর বেশে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন।

অচিরেই প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার নিয়ে তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্গঠন, স্বল্পতম সময়ে সংবিধান রচনা, প্রশাসনের পুনর্বিন্যাস, পাকিস্তানে আটকে পড়া বাঙালিদের প্রত্যাবাসন, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্যে বহু দেশের স্বীকৃতি এবং জাতিসংঘের সদস্যপদ অর্জন করেন। অন্যদিকে বিদেশি ষড়যন্ত্রে দেশে দুর্ভিক্ষাবস্থা দেখা দেয় এবং সরকার ব্যবস্থায় কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়। এই পরিবর্তনের পরিণাম দেখার আগেই কুচক্রীরা সপরিবারে তাঁকে হত্যা করে, কিন্তু মানুষের হৃদয় থেকে তাঁকে সরাতে পারেনি।

বঙ্গবন্ধু দেশের মানুষকে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, সে স্বপ্নের জন্যে আত্মত্যাগে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন এবং সে স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করেছিলেন। আজ পৃথিবী জানে ১৯৭১ সালে যে সংগ্রামের নেতৃত্ব তিনি দিয়েছিলেন, তা বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন ছিল না, ছিল শোষিত মানুষের মুক্তিসংগ্রাম, আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারলাভে ন্যায় যুদ্ধ। তিনি ইতিহাস নির্মাণ করে গেছেন।

মন্তব্যঃ সংবাদটি পঠিত হয়েছেঃ 544 বার।




সর্বশেষ আপডেট

পরমাণু যুদ্ধ যেকোনো মূল্যে এড়িয়ে চলতে হবে জিয়াউর রহমান তরুণ প্রজন্ম নষ্টের জন্য দায়ী পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে স্পষ্ট রোডম্যাপ চেয়েছেন বিএনপির মুখে দুর্নীতি বিরোধী বক্তব্য ভূতের মুখে রাম নাম যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১০ লাখ কোভ্যাক্সের টিকা আসবে কোনোভাবেই যেন সুন্দরবন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন সরকার গণমাধ্যমের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে সমুন্নত রেখেছে ক্ষমতা ধরে রাখতে হাজার হাজার গাছ কেটে ফেলেছিলেন জিয়াউর রহমান নিউইয়র্কে বঙ্গবন্ধু লাউঞ্জের উদ্বোধন করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্ষমতালিপ্সু আলেম নামধারীদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে এসএসএফকে প্রশিক্ষিত-দক্ষ করা হচ্ছে যুগের সঙ্গে তালমিলিয়ে আবারও মুসলিমদের সমর্থনে জোরালো কন্ঠ জেসিন্ডার বাইডেন ইসরায়েলে সরকার বদল বেনেটকে স্বাগত জানালেন কে কোন পদে ইসরাইলের নতুন সরকারে করোনা নিয়ে কোনো রকম ঝুঁকি নিতে না করেছেন প্রধানমন্ত্রী ৬ দিন বিরতির পর বসেছে সংসদ অধিবেশন গণতন্ত্র বিকাশে সবচেয়ে বড় বাধা বিএনপির হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীত মাস্ক না পরায় ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টকে জরিমানা র‍্যাঙ্ক ব্যাজ পরানো হলো বিমানবাহিনীর নতুন প্রধানকে